করোনার পর চীনে নরোভাইরাসের হানা, অর্ধশতাধিক শিশু আক্রান্ত
মেডিভয়েস ডেস্ক: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের পর এবার চীনে নরোভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। দেশটির শিচুয়ান প্রদেশের জিগোং শহরে ৫০ জনের বেশি শিশু ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার পর গত বুধবার (২৫ নভেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (২৬ নভেম্বর) স্থানীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস জানিয়েছে, সম্প্রতি শিচুয়ান প্রদেশে একটি কিন্ডার গার্টেনে এ ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। সেখানে নরোভাইাসের প্রভাবে শিশুদের বমির উপসর্গ দেখা দিয়েছে।
ইয়ানতান জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, আক্রান্ত সকল শিশুর অবস্থা স্থিতিশীল এবং মৃদু সংক্রমণ নিয়ে তারা হাসপাতালের চিকিৎসা নিচ্ছে। তবে নরোভাইরাসটির টিকা এখনো সহজলভ্য হয়নি।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, নরোভাইরাস একটি সংক্রমক রোগ। এর ফলে বমি ও ডায়রিয়া দেখা দেয়। যে কোনো বয়সের ব্যক্তি নরোভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে এবং এটি সহজেই ছড়িয়ে পড়ে।
নরোভাইরাস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কোটি কোটি নরোভাইরাস কণা ছড়াতে পারে এবং কেবল কয়েকটি ভাইরাসের কণাই অন্য মানুষকে অসুস্থ করতে পারে।
একটি মেডিকেল গবেষণা বলছে, নরোভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি ক্লান্তি বোধ করতে পারেন, পেশীর ব্যথা, মাথাব্যথা এবং শরীর শীতল হওয়াসহ নিম্ন-গ্রেড জ্বর (১০১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম) হতে পারে। লক্ষণগুলো প্রায় এক থেকে দুই দিন স্থায়ী হয়। যদিও এই ভাইরাল সংক্রমণের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমস্যা অব্যাহত থাকে না।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে বছরে ৬৮ কোটি ৫০ লাখ মানুষ নরোভাইরাসে আক্রান্ত হন। চীনে এ ভাইরাসটির বিস্তার বাড়ছে।
২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে চীনা কর্তৃপক্ষ এ ভাইরাসটির টিকা ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমতি দয়েছে। চার বছর পর টিকাটির উন্নয়ন সম্ভব হবে। তাত্ত্বিকভাবে এই টিকাটি ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ প্রতিরোধক বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা সিনহুয়া।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী
এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নেবে সরকার
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী
এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নেবে সরকার
দশ জেলায় আইসিইউ উদ্বোধন
এক হাজার শয্যার ২০ হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী